A make-believe lawn

558118 10150770045021201 424781924 n A make-believe lawn

477311_10150959825046201_325141219_oThere are times when something small and otherwise unnoticeable makes your day. This was one of those mornings for me. After waking up, I opened the door to the balcony and was overwhelmed by this heavenly perfume. My heart skipped a beat — beautiful, pearly white gondhoraj in full bloom. Oh My God! After much perseverance, effort, and praying from my end, they finally decided to show up. I felt like looking at the flowers all day.
A significant part of my time has been invested in the garden I have tried to create at my balcony. I grow a few kitchen herbs, decorative plants and white flowers that can grow in limited space, with minimum direct sunlight and air. I also have a pot of grass; I call it my make-believe lawn.
In a city like Dhaka where life is anything but “fresh”, this is a little piece of heaven I possess. In the beginning when I started gardening, I could never keep the greens look, well, quite as green as I wanted. Slowly, with time I started to understand them — when should I water more, if I should move the tubs and so on. It comes naturally to you, not much effort is required. However the two men at home are totally oblivious to my green thumb. I dragged both to the balcony to admire the beautiful vision. Both said “Oh…flowers.” “Oh…flowers”? And that’s all the enthusiasm I heard for the remarkable sight and smell.
I asked myself, did I start gardening for them, or for anyone else? Do I want applause for my accomplishments, or is it for myself only? I came to the conclusion that I did this entirely for myself. Because it makes me happy; makes my balcony smell heavenly; gives me a reason to smile, a reason to wake up early in the morning, go to my make-believe lawn and feel like I’m walking barefoot on a green carpet of grass.

A make-believe lawnVery recently I started doing yoga at the balcony. But then I figured I have turned into a local entertainer, and decided to take my act indoor. Early in the morning, five to ten minutes of absolute silence at the green balcony gives me a certain kind of bliss that replenishes my energy.
These are feelings you need to feel, need to have inside. Maybe everyone at home will not understand the importance of that particular white flower, but as long as it makes you happy, stimulates your mind, and gives you a positive feeling — by all means, cherish it.

balconyঢাকার ফ্ল্যাট বাড়ির কোনায় পড়ে থাকা বারান্দাই আমার শেষ ভরসা। তাই সেখানে টবে টবে গাছ লাগিয়েছি। পাশের বিশাল বিল্ডিং ভেদ করে সকালে কিছু রোদ পাই, কিন্তু তা দিয়ে ফুল ফোটানো, ছেলেদের পেটে বাচ্চা হবার মতই অসম্ভব। তারপরও আমার মালির ভিটামিন আর ওষুধের জন্য কখনও শখনও দুই একটা ফুল ফোটে বৈকি।  কখনও টগর, বেলি, জবা, কামিনী, গন্ধরাজ, বাগানবিলাস, লিলি ইত্যাদি। আবার মাঝে মাঝে তুলসি, লেবু আর দুই একটা ঔষধি গাছের পাতা ছিড়ে ভণ্ড কবিরাজি করি। আর আছে এক টবে ঘাস। জবা কামিনির মতই আমার প্রিয়, সবুজ চিকন পাতার ঘাস। ঘাসের টবে হাত বুলাই আর মনে মনে ভাবি, এই বুঝি আমার সাধের বাগান, আমি হাঁটছি, নরম ঘাসে পা রাখছি, মনের লন আমার।

corrianderএকটা ছোট টবে এক টুকরা ঘাসের প্রতি আমার আহ্লাদ দেখলে আমার বর হাসে। আমি যখন বেড়াতে যাই আগেই শর্ত থাকে, যেন কোন ইকো রিসোর্টে না যাই। গ্রামে বড় হওয়া বরের ইকোকে এডভেঞ্চার মনে হয় না, যন্ত্রণা মনে হয়। ও বুঝে না, ছোট বেলায় গ্রাম না দেখার লোভ আমার আজও যায়নি। ও বুঝে না, সত্যি আমি চাই গ্রামে থাকতে। তবে আজকের জামানায় গ্রামে থাকতে সাহস লাগে। ছেলে সানবিমস-এ না পড়লে যেহেতু পাড়ায় আমার মান থাকে না, তাই অগত্যা কোনার বারান্দার এক টুকরা ঘাসই সই।